হালাকু খান ছিলেন চেঙ্গিস খানের অন্যতম পুত্র তোলুই খানের সন্তান
হালাকু খান ছিলেন চেঙ্গিস খানের অন্যতম পুত্র তোলুই খানের সন্তান। তিনি ১২১৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাহিনী মঙ্গোল সাম্রাজ্যের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করেন। তার নেতৃত্বে মঙ্গোলরা মুসলিম ক্ষমতার কেন্দ্র বাগদাদ ধ্বংস করে। এই ধ্বংসের ফলে মামলুক শাসিত কায়রো মুসলিম বিশ্বের কেন্দ্র হয়ে উঠে।
মোঙ্গল ইতিহাসে আলোচিত এক নাম হচ্ছে হালাকু খান
মোঙ্গল ইতিহাসে আলোচিত এক নাম হচ্ছে হালাকু খান। তাদের নিষ্ঠুরতা ও নির্মমতার কাহিনী শুনলে এখনো মানুষের গা শিউরে ওঠে। হালাকু খান শুধু দেশ জয় করেই ক্ষান্ত হতেন না, বরং বিজিত অঞ্চলে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো ছিল তার প্রিয় স্বভাব। এই হালাকু খানের হাতে ৬৫৬ হিজরিতে (১২৫৮ খৃ.) ধ্বংস হয় তৎকালীন বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র আব্বাসীয় খিলাফতের রাজধানী বাগদাদ নগরী।
তারপর শামে প্রবেশ করে হালাকু খানের ঘাতক বাহিনী। দখল করে নেয় হালাব বা আলেপ্পো। এদিকে ক্ষমতা নিয়ে হালাকু খানের ভাইদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। হালাকু খান কারাকোরামে ফিরে গিয়ে ভাই কুবলাই খানকে সাহায্য করেন। ভা্ই’র সহায়তায় কুবলাই খান ওগেদাইয়ের সন্তানদের পরাজিত করে সাম্রাজ্যের কেন্দ্র ও সিংহাসন দখলের মাধ্যমে গ্রেট খান উপাধি লাভ করেন। সময়ের আবর্তে তারা জীবন ব্যয় করেছেন এক রণাঙ্গন থেকে অন্য রণাঙ্গনে।
মঙ্গোল অভিজান ও বিজয়
হালাকু খানের মা সোরগাগতানি বেকি ছিলেন একজন প্রভাবশালী কেরাইত শাহজাদি। তিনি একজন নেস্টরিয়ান খৃষ্টান। হালাকু খানের স্ত্রী দকুজ খাতুন এবং তার ঘনিষ্ট বন্ধু ও সেনাপতি কিতবুকাও খৃষ্টান ছিলেন। মৃত্যুর আগমূহুর্তে হালাকু খান বৌদ্ধধর্ম গ্রহন করেছিলেন বলে জানা যায়। হালাকু খানের তিনজন সন্তান ছিলেন। তারা হলেন আবাকা খান, তাকুদার ও তারাকাই। আবাকা খান ১২৬৫ থেকে ১২৮২ সাল পর্যন্ত পারস্যের দ্বিতীয় ইলখান ছিলেন।
এরপর তাকুদার ১২৮২ থেকে ১২৮৪ পর্যন্ত ইলখান ছিলেন। তারাকাইয়ের পুত্র বাইদু ১২৯৫ সালে ইলখান হন। আরও দুই সন্তানের মধ্যে হিয়াক্সামাত প্রথমে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এবং আরেক সন্তান তানদুন দিয়ারবাকির ও ইরাকের গভর্ণরের দায়িত্বে ছিলেন। হালাকু খানের পুত্রবধু আবশ খাতুন ১২৬৩ সালে শিরাজ শাসনের দায়িত্ব পান। তাদের সন্তানের জন্মের তালিকাটি এভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছে, আবাকা, হিয়াক্সামাত, তানদুন ও তারাকাই।
বাগদাদ আক্রমণ ও ধ্বংসযজ্ঞ
শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চিন্তা করতে গেলে দেখা যায় মোঙ্গলদের ইতিহাস অনেকটাই জিঘাংসা আর রক্তপাতের হিংস্রতায় ধিকৃত। তাদের নেতা চেঙ্গিস, মঙ্গু, কুবলাই কিংবা হালাকু খানের মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নাই। হত্যাকান্ড বা দখলবাজির দিক থেকে সবথেকে এগিয়ে হালাকু খান। পারিবারিক দিক থেকে যোদ্ধাবৃত্তি তার ধমনীতে প্রবাহিত ছিল। হালাকু খানের বড় সাফল্য মনে করা হয় বাগদাদ দখলকে।
তাদের প্রথম সফল অভিযান বলা যেতে পারে নিজারি ইসমাঈলিয়া সম্প্রদায়ের দুর্গ আলামুত দখলের ঘটনাকে। এরপর বাগদাদ ও সিরিয়া দখল করে চালায় নারকীয় হত্যাকাণ্ড। আব্বাসীয় খলিফাকে কারপেটে মুড়িয়ে ঘোড়ার পায়ে পিষে হত্যা করেছিল মোঙ্গলরা। এরপর আইন জালতের ময়দানে মামলুক নেতা বাইবার্সের মুখোমুখি হয়ে চরম মূল্য দিতে হয়েছিল মোঙ্গলদের। গৃহযুদ্ধের মুখেও পড়তে হয়েছিল হালাকু খানকে।
বাগদাদ আক্রমণ ও ধ্বংসযজ্ঞ ইতিহাসের একটি বেদনাদায়ক ঘটনা। এ হামলায় বাগদাদের ১৬ লাখ মানুষ গণহত্যার শিকার হয়। ১২৫৬ সালে হালাকু খান বাগদাদ অবরোধ করে। এ সময় বাগদাদের খলিফা ছিলেন আল-মুস্তাসিম বিল্লাহ। গুপ্তঘাতক সম্প্রদায়কে দমনের ব্যাপারে হালাকু খলিফার সহায়তা চান। কিন্তু খলিফা কোন আগ্রহ দেখাননি। এতে হালাকু খান ক্রুদ্ধ হয়ে বাগদাদ আক্রমণের সিদ্ধান্ত নেন।
গুপ্তঘাতক দমন করে বাগদাদ অভিযানের শুরুতেই হালাকু খান বাগদাদের বহিঃপ্রাচীর ধ্বংস করে খলিফাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। খলিফা এতে রাজি না হলে বাগদাদ নগরী অবরুদ্ধ হয়। মোঙ্গল বাহিনী পূর্ব ও পশ্চিম দিক থেকে প্রবল বেগে আক্রমণ চালায়। একের পর এক অগ্নিগোলক নিক্ষেপ করে খলিফার মনে ভয় ঢোকাতে সমর্থ হয়। বাগদাদের পতন অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায়।
খলিফার বাহিনী বাগদাদ রক্ষায় ব্যর্থ হলে পরিবার -পরিজন সহ আত্মসমর্পণের প্রস্তাব দেন। মোঙ্গলরা খলিফার আবেদনে সাড়া দেয় এবং নগরবাসীকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। নগরবাসী আত্মসমর্পণ করলে হালাকু খান বাগদাদ নগরীতে প্রবেশ করে খলিফা ও তাঁর পরিবার-পরিজনসহ নগরীর অসংখ্য নর-নারীকে হত্যা করে। মোঙ্গল বাহিনী বীভৎস হত্যালীলা চালায়। তাদের হাতে মুসলিম শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতিরও বিলুপ্ত ঘটে।
বাগদাদ পরিণত হয় বিধ্বস্ত নগরীতে। আক্রমণের প্রচণ্ডতায় জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিক্ষা-সংস্কৃতির উজ্জলতম নিদর্শন বাগদাদ নগরী এক মহাশ্মশানে পরিণত হয়। এভাবে ‘আরব্য রজনীর স্বপ্নপুরী’ বাগদাদ তার সর্বস্ব হারায়। ইবনে খালদুনের মতে, ১ লক্ষ ৬০ হাজার মতান্তরে ১৬ থেকে ২০ লক্ষ লোক মারা যায়। ঐতিহাসিক ব্রাউন বলেন, সম্ভবত কখনো এত বড় ও সমৃদ্ধিশালী একটি সভ্যতা এত দ্রুত অগ্নিশীখায় বিধ্বস্ত ও রক্তধারায় নিশ্চিহ্ন হয়নি।
এ আক্রমণের ফলে বাগদাদ মোঙ্গলদের অধিকারভূক্ত হয় এবং মুসলিম বিশ্ব কিছুকালের জন্য খলিফা শুন্য হয়ে পড়ে। মোঙ্গলদের নিষ্ঠুর আক্রমণে অসংখ্য মসজিদ, প্রাসাদ ও অট্রালিকা ধ্বংস হয়। জনগণের মধ্যে কিছু শিল্পী, চিত্রকর এই তান্ডব থেকে রক্ষা পায়। তিনদিন ধরে শহরের পথে রক্তের স্রোত প্রবাহিত হয়েছিল এবং তাইগ্রিস নদীর পানি মাইলের পর মাইল রক্তে লাল হয়ে উঠেছিল। আক্রমণের সময় এ নগরী ছিল বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধ।
বাগদাদের বাইতুল হিকমা ধ্বংস করে দেয়া হয়। ফলে চিকিৎসা সহ নানা বিষয়ের উপর লিখিত অগণিত বই ধ্বংস হয়ে যায়। কথিত আছে বইগুলি নদীতে ফেলে দেয়ার কারণে দজলা নদীর পানি কালির কারণে কালো হয়ে যায়। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন, প্রাসাদ, হাসপাতালও মঙ্গোলরা ধ্বংস করে দেয়। খলিফাকে বন্দী করা হয় এবং অভূক্ত রেখে মেরে ফেলেছিল। মুসলিম বিবরণে জানা যায় খলিফাকে কম্বলে মুড়ে তার উপর ঘোড়া চালিয়ে দেয়া হয়।
এই ঘটনার পর অন্যান্য ক্ষুদ্র রাজ্যগুলি হালাকুর অধীনতা স্বীকার করে নেয়। ১২৫৯ সালে তিনি সিরিয়ায় অভিযান চালান। ১২৬০ সালে তারা আলোপ্পো দখল করে। এ বছরেই সেনাপতি কিতবুকা দামেস্ক অবরোধ করে। এরপর মামলুক সুলতান কুতুজকে আত্মসমর্পণ করতে বলেন এবং না করলে বাগদাদের মত কায়রো ধ্বংস করে দেয়া হবে বলে হুমকি দেন। সুলতান কুতুজ একটি বাহিনী নিয়ে ফিলিস্তিনের দিকে অগ্রসর হন।
সুলতান কুতুজ আইন জালুতের দিকে অগ্রসর হলে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়। বাইবার্স যুদ্ধে হিট এন্ড রান কৌশল ব্যবহার করেছিলেন যাতে মোঙ্গলরা পালিয়ে যাচ্ছে ভেবে মামলুকদের অনুসরণ করে। বাইবার্স ও কুতুজ পাহাড়ের আড়ালে সেনাদের লুকিয়ে রাখেন। মোঙ্গল সেনাপতি কিতবুকা মামলুকদের সীমানার মধ্যে আসলেই আক্রমণের স্বীকার হন। সেনাপতি সহ অধিকাংশ সৈনিক নিহত ও বন্দী হয় এবং পূর্ব ও দক্ষিণের অভিযান থেমে যায়।
১২৬২ সালে হালাকু খান আইন জালুতের পরাজয়ের বদলা নেয়ার জন্য মনস্থির করেন। এই সময় তিনি বাতু খানের ভাই বারকা খানের সাথে গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। বারকা খান ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং বাগদাদ ধ্বংস করার জন্য হালাকু খানের উপর তিনি বিরূপ হন। বারকা খান মামলুকদের সাথে মিত্রতা স্থাপন করেন। ১২৬৩ সালে ককেসাসের উত্তরে একটি অভিযানের সময় হালাকু খান পরাজিত হন।
মুসলিমদের বিরুদ্ধে হালাকু খান বেশ কয়েকবার ইউরোপের সাথে যোগাযোগ করেছিলেন। ফ্রান্সের নবম লুইয়ের কাছে মিত্রতা স্থাপনের আহ্বান জানিয়ে চিঠি পাঠান। চিঠিতে হালাকু খান লিখেন যে তিনি পোপের লাভের জন্য জেরুজালেম দখল করতে চান এবং মিশরের বিরুদ্ধে লুইয়ের কাছে নৌবহর পাঠানোর আবেদন করেন। তবে এ সকল প্রচেষ্টা সত্বেও দুই পক্ষের মধ্যে মৈত্রী স্থাপিত হয়নি।
মুসলিমদের প্রতি হালাকু খানের বিদ্বেষ ছিল সীমাতিরিক্ত। এক খৃষ্টান নারী বিয়ে করার পর বিদ্বেষের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পায়। মুসলমানদের ধ্বংস করার জন্য নিয়মিত উস্কানি দিত তার স্ত্রী। মৃ্ত্যুর আগে হালাকু খানের কিছুটা সুমতি হয়। নিজের দ্বিতীয় পুত্র তেকুদারকে কোনো এক মুসলিম পরিবারে প্রতিপালন করার অসিয়ত করে যান। আব্বাসীয় খলিফার শিয়া প্রধানমন্ত্রী এবং হালাকু খানের শিয়া উপদেষ্টার মধ্যে গভীর ষড়যন্ত্রে আব্বাসীয় খেলাফতের পতন হয়।
আব্বাসীয় খলিফা মোস্তাসেম বিল্লাহ ও তাঁর পরিবারের হত্যাকান্ডে আসমান পর্যন্ত অশ্রু বিসর্জন দেয়। হযরত শেখ সাদি (র.) বাগদাদ পতনের শোকগাঁথায় তিনি এ মর্মবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি খলিফার লাশের অবমাননা করার সময় বলেছিলেন, ‘আমি আহলে বায়তের প্রতিশোধ নিলাম’। মোওয়ায়্যিদুদ্দীন মোহাম্মদ ইবনে আলকামীর নিকট খলিফা রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতা অর্পণ করে দিয়েছিলেন এবং তার আহ্বানে হালাকু খান বাগদাদ আক্রমণ করেন।
চেঙ্গিস খান তার পুত্র তুলুইকে পারস্য, খোরাসান এবং আরব ও এশিয়া মাইনর যতদুর বিস্তৃত হবে তার সবটুকুর কর্তৃত্ব প্রদান করেন। তুলুইয়ের সন্তানরাই সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য শাসন করত। কারণ একদিকে যেমন তুলুইয়ের পুত্র হালাকু খান এবং তার বংশধরগণ মধ্যপ্রাচ্য শাসন করে, অন্যদিকে হালাকুর ভাই কুবলাই খান চীনে শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। ১২৬৫ সালে হালাকু খান উর্মিয়া হ্রদের শাহি দ্বীপে মারা গেলে ছেলে আবাকা খান তার উত্তরসূরি হন।
বাগদাদ পতনের অন্যতম প্রধান কারন
বাগদাদ পতনের অন্যতম প্রধান কারন ছিল খলিফা মোস্তাসেম বিল্লাহর রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সম্পর্কে অসাবধান থাকা এবং আব্বাসীয় খেলাফতের ঘোর বিরোধী এমন একজনকে ক্ষমতা প্রদান করা, যিনি গোপনে এর ধ্বংস কামনা করতেন। খলিফার পিতা মোস্তানসের বিল্লাহ ছিলেন ৩৬ তম আব্বাসীয় খলিফা। তিনি এমন এক চরিত্রের লোক ছিলেন, যিনি সোনাকে পর্যন্ত মাটি মনে করতেন।
তিনি আরও বলতেন যে, ‘আমার ভয় হয় আমি যা কিছু দান করে থাকি তার কোন সওয়াব আমি পাব না। কেননা আল্লাহ বলেছেন, তোমরা যদি পছন্দনীয় বস্তু ব্যয় না কর তা কবুল হবেনা। সোনা-রূপা তো আমার কাছে মাটি অপেক্ষা উত্তম নয়।’ এমনি পিতার সন্তান ছিলেন মোস্তাসেম। তাঁর কাছে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কোনো গুরুত্ব ছিলো না। সঠিক খবর না জানিয়ে খলিফার সন্তুষ্টি লাভের জন্য ইবনে আলকামী বানোয়াট কাহিনী তাঁকে শোনাতেন।
আলকামীর ওপরই ছিলেন সম্পূর্ণ আস্থাবান। এ সময় হালাকু খানের সাম্রাজ্য বিস্তার অব্যাহত গতিতে চলছিল। হালাকু খানের সাথে গোপন আঁতাতের মাধ্যমে সৈন্য সংখ্যা হ্রাস করার লক্ষ্য ছিল হালাকুকে বিনা বাধায় বাগদাদে প্রবেশের সুযোগ করে দেয়া। আর খলিফার ধারণা ছিল তারা বাগদাদ আক্রমণ করবে না। রাষ্ট্রের এই শোচনীয় অবস্থায় হিজরি ৬৫৫ সালে হালাকু বাহিনী চতুর্দিক থেকে বাগদাদ অবরোধ করে এবং বাগদাদের পতন হয়।
খলিফা আল মুস্তাসিম গ্রেপ্তার হন। তাকে শহরের বাসিন্দাদেরকে হত্যার দৃশ্য দেখতে বাধ্য করা হয়। মঙ্গোলরা রাজকোষেও লুটপাট চালায়। অধিকাংশ সূত্র অনুযায়ী খলিফাকে অভুক্ত রেখে বা কাপড়ে মুড়িয়ে তার উপর ঘোড়া চালিয়ে মেরে ফেলা হয়।বাগদাদ পুনর্নির্মাণের জন্য হালাকু ৩০০০ মঙ্গোল সৈনিক রেখে যান। হালাকু খান নেস্টরিয়ান ক্যাথলিক মার মাকিখাকে রাজ প্রাসাদ গ্রহণের প্রস্তাব দেন এবং তার জন্য একটি ক্যাথেড্রাল নির্মাণের নির্দেশ দেন।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url