রুশ বিপ্লব ছিল বিংশ শতাব্দীর সাড়া জাগানো পরিবর্তন

১৯১৭ সালে সংঘটিত রুশ বিপ্লব ছিল বিংশ শতাব্দীর সাড়া জাগানো সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন।সাধারণ মেহনতি মানুষের বিপ্লব। দলিত, শোষিত ও অবহেলিতের অধিকার আদায়ের বিপ্লব। রাজতন্ত্র ভেঙ্গে সমাজতন্ত্রের উদ্ভব হয় এই বিপ্লবে। বিশ্বে প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র (সোভিয়েত ইউনিয়ন) প্রতিষ্ঠা হয়।

রুশ বিপ্লব ছিল বিংশ শতাব্দীর সাড়া জাগানো পরিবর্তন

মূলত খাদ্যের অভাবই ছিল এই বিপ্লবের মূল কারন


রুশ বিপ্লব মূলত দু’টি ধাপে সম্পন্ন হয়েছিল। ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের মাধ্যমে জার নিকোলাসের পদত্যাগ এবং অক্টোবর বিপ্লবে লেলিনের নেতৃত্বে বলশেভিকদের ক্ষমতা দখলের মাধ্যমে এই বিপ্লব সম্পন্ন হয়। এই বিপ্লবের মাধ্যমে রাশিয়ায় জার শাসনের অবসান হয় এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্থান হয়। প্রথম ধাপে হয় রাজতন্ত্রের পতন ও বুর্জোয়া সরকার প্রতিষ্ঠা এবং দ্বিতীয় ধাপে বিপ্লবীরা ক্ষমতা নিজের হাতে নিয়ে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন।

উনিশ শতকে পুরো ইউরোপে যখন শিল্পায়নের হাওয়া বইছে তখনও রাশিয়াতে চলছে সামন্ততান্ত্রিক রাজতন্ত্র। জার শাসিত অভিজাত ভূস্বামীদের জমিতে ভূমিহীন কৃষকদের উপর ইচ্ছামতো খাজনা আরোপ করে, অত্যাচার-জুলুম করে চাষাবাদে বাধ্য করা হতো। এ কারনে চাষাবাদে কৃষকদের আগ্রহ কমে যায়। ফলে উৎপাদনও কমে যায়। এমন ব্যবস্থা ইউরোপজুড়ে ততদিনে অনেক আগেই উঠে গেছে। দেরিতে হলেও বিপ্লবের বাতাস লাগে রাশিয়াতে।

সমগ্র রাশিয়াজুড়ে নানা রকম গুপ্ত সমিতি গড়ে উঠে। কিছু থন্ড খন্ড ব্যর্থ বিদ্রোহের ঘটনাও ঘটতে থাকে। ফলে বেড়ে গেলো জারের অত্যাচার-নিপীড়ন। ১৮৫৩-৫৬ সালে সংঘটিত ক্রিমিয়ার যুদ্ধে ধনতান্ত্রিক ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের কাছে রাশিয়ার পরাজয় আরও বেশি করে একটি একটি নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রয়োজন জানান দিলো। ১৮৬১ সালে উচ্ছেদ হলো ভূমিদাস প্রথা। শিল্পায়নের সাথে সাথে বিকাশ হলো পূঁজিবাদের।

এক শোষণব্যবস্থা থেকে আরেক শোষণ প্রকৃয়ায় উন্নীত হলো রুশ অর্থনীতি। জন্ম নিলো সর্বহারা মজুর শ্রেণী। নামমাত্র মজুরীতে শ্রমিকদের খাটানো হতো। অর্থাৎ ধনী আরও ধনী হতে লাগলো, আর দরিদ্ররা এক দুষ্টচক্রে ঘুরপাক খেতে লাগলো। খেয়ে পরে বাঁচার দাবিতে আবারও শুরু হলো প্রতিবাদ। ১৯০৫ সালে নিরস্ত্র বিদ্রোহী জনতার এক মিছিলে জারের বাহিনী গুলিবর্ষণ করে। হতাহত হয় অসংখ্য নিরীহ মানুষ।

পেটের ক্ষুধায় মানুষ বিপ্লবী হয়ে উঠলো


১৯০৫ সালের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর জারের গদিতে বসলেন দ্বিতীয় নিকোলাস। তিনিও পিতার মতো দমন নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। এরই মধ্যে ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে রাশিয়া। দীর্ঘকালের রাজতন্ত্র ও নব্য পুঁজিবাদের চাপে রাশিয়ার বিশ্বযুদ্ধে লড়ার মতো সক্ষমতা ছিলো না। জার নিকোলাস রাজধানী ছেড়ে স্বয়ং যুদ্ধক্ষেত্রে গেলেন।যুদ্ধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠলো গোটা দেশ। পেটের ক্ষুধায় মানুষ বিপ্লবী হয়ে উঠলো।

মূলত খাদ্যের অভাবই ছিল এই বিপ্লবের মূল কারন। রুটির দোকানের সামনের ক্রেতাদের ভিড় থেকে হলো গোলযোগের সূত্রপাত। বিদ্রোহী জনতা ও সেনাবাহিনীর মুখোমুখি অবস্থানে সেনাবাহিনী গুলি চালায়। বেশ কিছু মানুষ নিহতও হন। কিন্তু টলেনি বিপ্লবীরা। যেখানে দু’মুঠো খেয়ে বেঁচে থাকা দায়, সেখানে গুলির আঘাতে মরে যাওয়াও যেন অনেক সহজ। অবশেষে বিপ্লবীদের কাছে হার মানতে বাধ্য হন জার। ক্ষমতা ছেড়ে দেয় জার নিকোলাস।

অস্থায়ী সরকার জনগণের বাক-স্বাধীনতা, মিছিল-মিটিং ও আইনের শাসন প্রভৃতি নিশ্চিত করার প্রয়াস চালালেও যুদ্ধমন্ত্রী আলেক্সান্দার কেরেন্সকি জনমত উপেক্ষা করে বিশ্বযুদ্ধ চালিয়ে গেলেন। ফলে খাদ্য সমস্যার কোন সমাধানই হলো না। এ অবস্থায় বলশেভিক পার্টির নেতা লেলিন অস্থায়ী সরকারের বিরুদ্ধে প্রায় রক্তপাতহীন অভ্যুত্থান ঘটালেন। জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে তারিখটা ছিল ২৫ অক্টোবর (৭ নভেম্বর) ১৯১৭, তাই এটি অক্টোবর বিপ্লব নামেও পরিচিত।

এবার বিপ্লবীরা রাষ্ট্রীয় ব্যাংক, রেলস্টেশন, টেলিভিশন, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ সহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলো দখলে নেয়। অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়েছিল রাশিয়ার ধনতান্ত্রিক বুর্জোয়া শ্রেণীর লোকজন দ্বারা। লেলিন তাদের পরিবর্তে সৈনিক, কৃষক ও শ্রমিকদের নিয়ে গঠন করেন সোভিয়েত সরকার। লেলিনকে প্রধান করে নতুন সোভিয়েত সরকার শপথ নিল। লেলিন হলেন বিশ্বের সর্বপ্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রধান।

১৯ শতকের শেষের দিকে কার্ল মার্কসের ‘দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ’ তত্ব দ্বারা তরুণ সমাজ ও সচেতন জনগোষ্টী ভীষণ আলোড়িত হয়। বিপ্লব খুঁজে পায় দিক নির্দেশনা। মার্কস মনে করেন কোন সমাজ ব্যবস্থাই স্থাযী নয়। নির্দিষ্ট সময় পর সব সমাজব্যবস্থাই ভেঙ্গে পড়ে। তিনি মনে করেন, পুঁজিবাদী ব্যবস্থাই শোষণের অন্যতম কারন। পুঁজিবাদের শোষণের ফলেই উন্মেষ ঘটবে রাজনীতি সচেতন শ্রমিক শ্রেণীর। অবসান হবে পুঁজিবাদের।

রুশ বিপ্লব ছিল বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাব সৃষ্টিকারী রাজনৈতিক ঘটনা। দীর্ঘ দিনের জার শাসনকে উচ্ছেদ করে নতুন শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলেন লেলিন। এই বিপ্রবের পর রাশিয়ায় গড়ে ওঠে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা। গঠিত হয় সোভিয়েত ইউনিয়ন। এর মাধ্যমে পুঁজিবাদ ও সমাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা নামে গড়ে ওঠে দুই মেরুর আদর্শ। সেই সময় থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন পর্যন্ত বলশেভিক বিপ্লবের দাপট ছিল বিশ্বজুড়ে।

বিপ্লবের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছিল যেভাবে


কৃষক অসন্তোষ : রুশ কৃষকরা মনে করতেন, চাষ করা জমি কেবল তাদেরই হওয়া উচিত। কৃষকরা তাদের জমির মালিকানা দাবি করতে থাকেন। বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে দুর্বল ভূমি সংস্কারের চেষ্টা হলেও ভূমির মালিকানা ক্ষেত্রে ছিল এক চরম বৈষম্য। দেশের মোট জমির ২৫ শতাংশ ছিল মাত্র ১.৫ শতাংশের দখলে।

শ্রমিক অসন্তোষ : উনিশ শতকের শেষের দিকে দারিদ্র থেকে বঁচতে লাখো মানুষ গ্রাম চেড়ে শহরে চলে আসায় নতুন শ্রমিক শ্রেণী তৈরি হয়। শিল্প বিপ্লবে ইউরোপ ও আমেরিকায় শ্রমিকদের সম্পদ ও সমৃদ্ধি অর্জন করলেও রুশ শ্রমিকদের ভাগ্যে তা জোটেনি। শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। শ্রমিক দাঙ্গা ও ধর্মঘটের জন্ম হয়। দেশের বেশিরভাগ মানুষ শ্রমিকদের সমর্থন জানায়।

অজনপ্রিয় সরকার : আগে থেকেই রাশিয়ার মানুষ জার দ্বিতীয় নিকোলাসের স্বৈরাচারী শাসনের ওপর অসন্তুষ্ট হয়ে উঠেছিল। তাঁর শ্লোগান ছিল, ‘এক জার, এক চার্চ, এক রাশিয়া।’ এই প্রক্রিয়ায় বেলারুশ ও ফিনল্যান্ডের মতো অজাতিগত রুশ সম্প্রদায়গুলোকে তাদের নিজ সংস্কৃতি ও ভাষা ত্যাগ করে রুশ সংস্কৃতি গ্রহন করতে বাধ্য করা হয়েছিল।

গির্জা ও জারতন্ত্র সম্পর্ক : চার্চ স্বৈরাচারী শাসনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে কাজ করত। জারের কর্তৃত্বকে সুদৃড় করতে ঘোষণা করা হয়, জার ঈশ্বর কর্তৃক নিযুক্ত। সে সময়ে রাশিয়ার অধিকাংশ মানুষ ছিল নিরক্ষর। তারা চার্চের বক্তব্য মেনে চলত। কিন্তু তারা ক্রমেই পাদরিদের দুর্নীতিগ্রস্ত ও ভন্ড হিসাবে দেখতে পায়। চার্চদের শিক্ষা প্রত্যেক মানুষের শ্রদ্ধা হারাতে শুরু করে।

সেনা অসন্তোষ : প্রথম বিশ্বযুদ্ধে রুশ সেনাবাহিনীর ক্ষতি দ্রুত বাড়তে থাকে।এ যুদ্ধে ৫০ লাখের বেশি রুশ সেনা নিহত, আহত বা বন্দী হয়েছিল। ফলে সেনাদের মধ্যে বিদ্রোহ ও দলত্যাগ শুরু হয়। রুশ জনগণের ওপরও এক বিধ্বংসী প্রভাব ফেলেছিল। এ জন্য সবাই জারকে দুষতে থাকে।

বিপ্লবের আকাঙ্খা : দীর্ঘদিনের স্বৈরতান্ত্রিক জার শাসন, রাশিয়া-জাপান যুদ্ধে পরাজয় এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্যর্থতা রাশিয়ার মানুষের মনে অসন্তোষ তীব্র হয়। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মারাত্মক খারাপ হওয়ায় অনেক মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়ে ফেলে। পলে রাশিয়ায় বিপ্লব অনিবার্য হয়ে ওঠে। এ সময় মার্ক্সের সমাজতন্ত্রে প্রভাবিত হয়ে লেলিন শ্রমিকশ্রেণির প্রথম বিপ্লব ঘটানোর সিদ্ধান্ত নেন।

যেভাবে জারদের পতন হয় : ১৯০৫ সালে রাশিয়ায় একর পর এক শ্রমিক ধর্মঘট সংঘটিত হয়। ‘রক্তাক্ত রবিবার’- এ জারের প্রাসাদ অভিমুখে শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণ অভিযাত্রায় হাজারো শ্রমিক নিহত হন। শ্রমিক বিদ্রোহে কেঁপে ওঠে রাশিয়া। ১১৪ টি শ্রমিক সংগঠন ধর্মঘট আহ্বান করে। নারীরা রাস্তায় নেমে আসে খাদ্যের দাবিতে। শ্রমিক অসন্তোষ সশস্ত্র রূপ নেয়। শ্রমিকরা পুলিশ ও সেনাদের অস্ত্র কেড়ে নেয়।

এরপর ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে অভ্যুত্থানে ১০ হাজার সেনা যোগ দেয়। সন্ধ্যায় তা হয়ে যায় ৬০ হাজার। সাধারণ জনতা, কৃষক ও শ্রমিকরা পেত্রগ্রাদ দখল করে নেয়। সেনারা জারের মন্ত্রীদের গ্রেপ্তার করে এবং রাজবন্দীদের মুক্ত করে দেয়। ২ মার্চ জার দ্বিতীয় নিকোলাস পদত্যাগ করেন। জারতন্ত্রের অবসান ঘটে। বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লব সফল হয়। বিত্তশালী শ্রেণীগুলো শুধু রাজনৈতিক বিপ্লব চেয়েছিল। কিন্তু শ্রমজীবীরা তাতে সন্তুষ্ট ছিল না।

কেন দ্বিতীয় বিপ্লব


১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের পর ক্ষমতায় আসে অন্তর্বর্তী সরকার। একপর্যায়ে মেনশেভিক ও কৃষকদের পার্টি সোশ্যালিস্ট রেভ্যলুশনারিরা সেই সরকারে বুর্জোয়াদের সঙ্গে যোগ দেয়। মেনশেভিকরা ছিল অনেকটা পশ্চিমা ভাবধারার। জারতন্ত্রের পতনের পর তেমন রাজনৈতিক এজেন্ডা তাদের ছিল না। বিপরীতে সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারার বলশেভিকরা এই সরকারে যোগ দেয়নি।

লেলিন রাশিয়ায় ফিরে এসে ‘এপ্রিল থিসিস’ এ লেখেন, বিপ্লবের প্রথম পর্বে ক্ষমতা তুলে দেয়া হয়েছে বুর্জোয়াদের হাতে। এখন দ্বিতীয় পর্বে কৃষক ও শ্রমিকদের ঐক্য গড়ে তুলে তাদের কাছে ক্ষমতা নিতে হবে। তিনি বলেন সাময়িক বা অন্তর্বর্তী সরকারকে কেনো সহযোগিতা নয়, সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের অবসান ঘটাতে হবে। লেলিন ঘোষণা করেন, রাশিয়ায় বুর্জোয়া গণতন্ত্রের কোনো প্রয়োজন নাই, রাশিয়ায় সরকার পরিচালিত হবে শ্রমিক ও কৃষকদের দ্বারা।

১৯০৫ সালেই লেলিন সোভিয়েতের বিপ্লবী সক্ষমতা আন্দাজ করতে পেরেছিলেন। বলশেভিক বা কমিউনিস্ট পার্টির ‘রুটি, জমি, শান্তি এবং সমস্ত ক্ষমতা বুর্জোয়া পার্লামেন্টর বদলে চাই সোভিয়েতের হাতে’ স্লোগান মানুষকে আকৃষ্ট করেছিল। এভাবে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে ১৯১৭ সালে সংঘটিত হয় বলশেভিকদের নেতৃত্বে রাশিয়ায় সংঘটিত হয় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব। এটি অক্টোবর বিপ্লব বা বলশেভিক বিপ্লব নামেও পরিচিত।

১৯৯১ সালে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের আঁতুড়ঘর সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হলেও নানা আদলে বিশ্বের নানা প্রান্তে এখনো টিকে আছে। এর প্রভাব পড়েছে খোদ পশ্চিমা পুঁজিবাদী দেশগুলিতেও। অর্থনৈতিক বৈষম্য, পরিবেশ ধ্বংস, বিশ্ব উষ্ণায়নসহ যুদ্ধবাজ নয়া উদারবাদী পুঁজিবাদী ব্যবস্থা এখন বহুমুখী সংকটে। ভবিষ্যতে একটি স্তিতিশীল ও জনমুখী আর্থসামাজিক ব্যবস্থা বিনির্মানে এই বিপ্লব প্রেরণা হয়ে থাকবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url